শুক্রবার   ১৮ জুন ২০২১   আষাঢ় ৪ ১৪২৮   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
আগামী জুনে চলবে মেট্রো রেলের উত্তরা-আগারগাঁও অংশ বৈশ্বিক শান্তি সূচকে সাত ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের গোয়ালন্দে মৎস্য চাষিদের মাঝে মাছের খাদ্য বিতরণ মহম্মদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এক ব্যতিক্রম স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র আগামী মার্চে শুরু হবে পাতাল রেলের কাজ বার্ড ফ্লুর টিকা তৈরি হচ্ছে ঝিনাইদহে জুলাই থেকে বড় পরিসরে শুরু হবে টিকাদান
৬৯

রফতানি আর রেমিটেন্স উর্ধমুখী, ১১ মাসে আয় ৫ লাখ কোটি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৯ জুন ২০২১  

করোনায় বিপর্যস্ত বিশ্বের অর্থনীতি যখন বিধ্বস্ত বাংলাদেশে তখন সুখবর চলছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের ১১ মাসে রেমিটেন্স ও রফতানি আয় থেকে দেশে এসেছে ৫ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে রফতানি আয় ৩ লাখ কোটি টাকা। প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা রেমিটেন্স আয়। আর দুটিতে ভর করে রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলার ছুঁইছুঁই। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থবছরের এখনও এক মাস বাকি। চলতি মাসে অর্থনীতির শক্তিশালী এই দুই খাতে আরও অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা দেশে আসবে।

প্রবাসে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও গ্রামের বাড়িতে টাকা পাঠাচ্ছেন প্রবাসী কর্মীরা। অনেকেই একটু বেশি পরিমাণেই পাঠানোর চেষ্টা করেছেন। আর তাদের শ্রমের টাকায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার হয়েছে। 

একই সঙ্গে নানা সঙ্কটের মধ্যেও পোশাককর্মীরা লড়াকু ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। রফতানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক রফতানিতে তারা বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে দেননি। 

গত বছরের মার্চে দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হলে এপ্রিলে ধস নামে রফতানি বাণিজ্যে। ওই মাসে দেশে রফতানি আয় আসে মাত্র ৫২ কোটি ডলার। গত বছরের শেষভাগে এসে ঘুরে দাঁড়ায় রফতানি বাণিজ্য। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩০ কোটি টাকার পণ্য রফতানি হয়েছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, তৈরি পোশাক পণ্য রফতানিতে পাঁচ মাস পর রফতানি আয় ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। এই ১১ মাসে দুই হাজার ৮৫৬ কোটি ডলারের পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে। এই সময়ে ১০৮ কোটি ডলারের পাটজাত পণ্য রফতানি হয়েছে। 

আর চামড়াজাত পণ্য রফতানি হয়েছে ৮৪ কোটি ডলার সমমূল্যের। ৯০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য রফতানি হওয়ার পর ১১ মাসে এইখাতে প্রবৃদ্ধি এসেছে ১৬ শতাংশ।

পাশের দেশ ভারতে রেমিটেন্স ৩২ শতাংশ হ্রাস পেলেও বাংলাদেশে তা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিভিন্ন দেশে থাকা ১ কোটির বেশি বাংলাদেশীর পাঠানো এই অর্থ।

রেমিটেন্স বাড়ার কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশী অর্থ মজুদ থাকলে তাকে ঝুঁকিমুক্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়। বাংলাদেশের কাছে এখন ৪৫ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার মজুদ আছে। যা দিয়ে সাড়ে ১১ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
 

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর