বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
রাজবাড়ীতে নতুন করে ৭ জনের করোনা শনাক্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১০ ডিসেম্বর ফরিদপুর পৌরসভা নির্বাচন ‘পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশে শান্তি বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর’
৪৮

মৃত নারীদের ‘ধর্ষক’ মুন্না সম্পর্কে যা জানালো তার বাবা

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

মুন্না ভগত, গত এক বছরে অন্তত ৬ জন মৃত নারীকে ধর্ষণ করেছে। ছয় নারীর এইচভিএসে (হাই ভ্যাজাইনাল সোয়াব) মুন্নার ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। লাশগুলো আত্মহত্যাজনিত কারণে মৃত ছিল। ১২ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে তুলনামূলক ভালো লাশ এলেই মুন্না ধর্ষণ করতো বলে সিআইডি জানিয়েছে। 

সিআইডি বলছে, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গের ডোম সহকারী হিসেবে প্রায় ৪ বছর ধরে কাজ করছে মুন্না। শুরু থেকে মর্গেই থাকে সে। ময়নাতদন্তের আগে লাশ রাতে পাহারা দেওয়ার সময় এই কাজে লিপ্ত হতো সে। সিআইডি কর্মকর্তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না তার এসব অপকর্মের কথা স্বীকার করেছে।

এদিকে লাশকাটা ঘরে নারীদের মরদেহ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্তের বিচার চাইলেন তার বাবা সুইপার দুলাল ভক্ত। তিনি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের জুরান মোল্লার পাড়ার বাসিন্দা। 

শনিবার (২১ নভেম্বর) সকালে দুলাল ভক্ত জানান, মুন্না গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিল। এরপর আমার স্ত্রীর মেজভাই যতন কুমার লালের সঙ্গে মর্গে ডোমের সহযোগী হয়ে দেড়বছর ধরে তার বাসায় থেকে কাজ করতো।

দুলাল ভক্ত বলেন, শুক্রবার মানুষের মুখে শুনলাম, আমার ছেলে মুন্না ভক্ত বড় একটা অপকর্ম করেছে। আর মানুষজন সেটা শুনে ছি ছি করছে! মুন্না যদি বড় কোনো অপকর্ম করে, তাহলে আমি তার বিচার দাবি করি।

স্থানীয় বাসিন্দা অনিল ভক্ত বলেন, মুন্নার আচরণ আগে থেকেই খারাপ ছিলো, মাঝে মাঝে সে নেশা করতো বলে শুনতাম। পরে আমাদের এখান থেকে সে ঢাকায় চলে যায়। তবে মুন্না যে ধরনের অপকর্ম করেছে এইজন্য অবশ্যই তার বিচার হওয়া উচিত।

গোয়ালন্দ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের জুরান মোল্লাপাড়ার সুইপার কলোনির বাসিন্দা মিঠু ভক্ত বলেন, কোনো মানুষ যে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে, সেটা আমার জীবনে এই প্রথম শুনলাম, তার এ অপকর্মের কথা মুখে আনাও আমাদের পাপ।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর