শুক্রবার   ৩০ জুলাই ২০২১   শ্রাবণ ১৪ ১৪২৮   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
দখলদার উচ্ছেদ, এবার দেশের সকল নদীতে নামফলক বসাবে সরকার টিকা নেয়ার সর্বনিম্ন বয়স কমিয়ে ২৫ বছর নির্ধারণ সড়কে আন্ডারপাস, ওভারপাস ও ইউলুপ নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথমবারেই আড়াই কোটি টাকা ভ্যাট দিলো ফেসবুক
১০৮

মুহাম্মদ বদরুজ্জামান : ইসলামিক সংগীত অঙ্গনের এক উদ্যমী নাম

প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২১  

বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে ইসলামী সংস্কৃতি। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির মোকাবেলায় বাংলাদেশে ইসলামী সংস্কৃতি চর্চামানুষের মাঝে ধর্মীয় মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে বেশ ভূমিকা রেখেছে এবং তা আজও চলমান। বাংলাদেশে ইসলামী সংস্কৃতির চর্চা করেছেন অনেক মহারথী। এ তালিকায় প্রথমেই আচেন মরহুম মাওলানা আইনুদ্দীন আল আজাদ রাহ.। যিনি ছিলেন ইসলামকেন্দ্রিক সংস্কৃতির অঙ্গনের একজনপুরোধা ব্যক্তিত্ব। সময়ে সময়ে তার সুললিত কণ্ঠে শোনাতেন ইসলামের সাম্য ও আদর্শের বাণী। যিনি তুলে ধরতেন সমাজের নানা অবিচার ও অসঙ্গতি। বাতিল ও অপসংস্কৃতির মোকাবেলায় সুস্থ ও নির্মল সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে তিনি নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গিয়েছেন মৃত্যু অবধি। কিশোর ও যুবসমাজকে পাশ্চাত্যের উৎকট সংস্কৃতি থেকে রক্ষার জন্য গড়ে তুলেছিলেন মননশীল এক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ‘কলরব’।

ইসলামী সংস্কৃতি নিয়ে তার মিশন এবং ভিশন কেবলমাত্র সাংস্কৃতিক সংগঠন; কলরবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি তৈরি করে গিয়েছেন অসংখ্য অগণিত সংস্কৃতিকর্মী। তার হাত ধরে বেড়ে উঠেছে অনেক জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। তবে তার একান্ত পরিচর্যা এবংতার কাছাকাছি থেকে হাতেগোনা যে দু'চারজন ব্যক্তি ইসলামী সংস্কৃতিকে তার মতো করে ভেবেছেন এবং তার স্বপ্নকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আজ প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন; সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরবের সিনিয়রশিল্পী ও যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক এবং হলি টিউনের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ বদরুজ্জামান।

মুহাম্মদ বদরুজ্জামানের সংগীত চর্চা শুরু ২০০৩ সাল থেকে। তবে তার প্রথম অ্যালবাম “বিমুগ্ধ লগন” এর মাধ্যমে  সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদচারণা হয় ২০০৮ সাল থেকে। তারপর থেকে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় ইসলামী সংগীত শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন। তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরবের শ্রোতাপ্রিয় অনেক সংগীতের সফল একজন গীতিকার ও সুরকারও। বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশে মানসম্পন্ন ইসলামী সংগীত তৈরির ধারা শুরু হয়-  মুহাম্মদ বদরুজ্জামানের হাত ধরেই। উদাহরণস্বরূপ “সাল্লি আলামুহাম্মাদ”, “হাসবি রাব্বি জাল্লাল্লাহ”, “একটি বাংলাদেশ”, “সালাত”, “সালাম” এবং “যিকরুল্লাহ” সংগীত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।  
২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে 'চলার পথে' শিরোনামে মুহাম্মাদ বদরুজ্জামান তার একক একটি সংগীতের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন হলি টিউন ইউটিউব চ্যানেলের। তারপর থেকে জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরব এর সাথে একটি চুক্তির মধ্যে দিয়েএই চ্যানেলে কলরবের সকল শিল্পীরা ইসলামী সংগীত প্রকাশ করা শুরু করেন। মুহাম্মদ বদরুজ্জামান একজন তরুণ উদ্যোক্তা এবং সফল সংগঠকও। ব্যক্তি মুহাম্মদ বদরুজ্জামান ইসলামী সংস্কৃতির সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আশাবাদী। সে লক্ষ্যে তিনি বিরামহীনভাবে সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে শ্রোতাপ্রিয় অসংখ্য অগণিত সঙ্গীত নির্মাণ করে  যাচ্ছেন।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর