শুক্রবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৯   ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সব ক্ষেত্রে শুদ্ধাচার চর্চার আহ্বান আইজিপির ১০ ডিসেম্বর পরিবহন ধর্মঘট থাকছে না ফরিদপুরে চলছে দানা পেঁয়াজ চাষ ফরিদপুর পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার সুমন রঞ্জন সরকার চাল আমদানিতে শুল্ক সুবিধার মেয়াদ তিন মাস বাড়ল
১০৯

মহাসড়কের জমি বন্ধক রাখার ঘটনা অনুসন্ধানের নির্দেশ

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সরকারি জমি বন্ধক রেখে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ঘটনা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অনুসন্ধান করে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য আসবে। ওইদিন স্যোশাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ।

এ আদেশের পাশাপাশি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জমি বন্ধক রেখে দুর্নীতির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

দুদকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিএফআইইউসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

'মহাসড়ক বন্ধক দেখিয়ে লুটপাট ১৫ কোটি টাকা' শিরোনামে গত ১৬ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে ২১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওবায়েদ আহমেদ বাদী হয়ে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আজ এ আদেশ দেন।  

রিটকারী আইনজীবী জানান, মহাসড়কের জায়গা বন্ধক দিয়ে ঋণ নিয়েছেন- একটি পত্রিকায় ও একটি বেসরকারি টিভিতে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাই ওই ঘটনার তদন্ত চেয়ে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চেয়ে আবেদন করি।

ঘটনা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাসড়কের সরকারি জমি বন্ধক রেখে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ১৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন মো. গোলাম ফারুক নামে এক ভয়ঙ্কর প্রতারক। ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তিনি মোটা অঙ্কের এ ঋণ বাগিয়ে নেন। তবে সেটি ধরা পড়ার পর আবার দলিল সংশোধন করেন। এবার আগের বন্ধক করা জমির দাগ নম্বর পরিবর্তন করে ব্যাংকে জমা দেন। সংশোধিত দলিলের জমিতে বন্ধকি সম্পত্তির সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করলে ব্যাংক জানতে পারে সেটিও ভুয়া। সংশোধিত দলিলের জমির আসল মালিক জামির আলী। ২৭ শতাংশ ওই জমি দখলে নিতে একাধিকবার তার ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টা চলে। অবশেষে গত ১৪ এপ্রিল রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে ফারুকসহ তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফিরোজ আল মামুন ওরফে ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর