রোববার   ০১ নভেম্বর ২০২০   কার্তিক ১৬ ১৪২৭   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
‘আগামী কয়েকদিন ইন্টারনেটের গতি কিছুটা ধীর হতে পারে’ সব সরকারি ওয়েবসাইট হালনাগাদ রাখার নির্দেশ সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ, স্ত্রীকে ঋণদাতার হাতে দিলেন স্বামী
৩২

মহামারীর ধাক্কা সামলে প্রতিটি খাত ‘উড়ন্ত’ অবস্থায়: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০  

করোনাভাইরাস মহামারীর ধাক্কা লাগলেও তা সামলে বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আর এজন্য মূল কৃতিত্ব তিনি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীকে। মুস্তফা কামালের ভাষায়, ‘অসম্ভব’ কর্মদক্ষতা নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে চলেছেন শেখ হাসিনা। 

এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, মহামারী শুরুর পর প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা, এরপর শিল্পোৎপাদন চালু করা সবই ছিল ‘সময়োপযোগী’ পদক্ষেপ। “পুরো দেশ এখন এর সুফল পাচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্র ভালো করছে। প্রত্যেকটি খাত উড়ন্ত অবস্থায় আছে। সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। কোনো দেশেই এ অবস্থা খুঁজে পাওয়া যাবে না,” বলেছেন মুস্তফা কামাল।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় তিনি বলেছেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিছু অমানুষ তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দেয়নি। “পিতার মতোই দেশের মানুষকে ভালোবেসে এই দেশটাকে ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ার নেশায় রয়েছেন শেখ হাসিনা। শুধু আমি নয়, দেশের মানুষও এখন দেখতে পাচ্ছেন, বাংলাদেশকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।”

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে’ এডিবি গত দুই মাসের কার্যক্রম বা পারফরম্যান্স থেকে চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করেছে। এডিবির প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে আছে শুধু বাংলাদেশ, চীন ও ভিয়েতনাম।

২০২০ সালে বাংলাদেশের যে অর্জন, আমি মনে করি এটিই বড়ভাবে দেখা যেতে পারে। কারণ, এটা আমাদের জন্য ঐতিহাসিক বছর। এবছর জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী। এই দেশের মানুষ যথাযথভাবে জাতির পিতাকে বিশ্ব দরবারে আরও আলোকিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। কামার, কুমার, তাঁতি, জেলে, চাষি, ব্যবসায়ী, বিজ্ঞানীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষই কাজ করছেন। এজন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।

আমাদের সৌভাগ্য যে, আমরা শেখ হাসিনার মতো একজন নেতা, একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। যিনি সামনে দেখতে পান… দেশের সব মানুষকে তিনি জানেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আগামী দেখার দক্ষতা রয়েছে। তিনি দেশের মানুষের নার্ভ বুঝতে পারেন। ওয়ান-টু-ওয়ান দেখতে পান।

মানুষকে যতটা সম্ভব দ্রুত কাজে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অর্থনীতি সচল রাখতে করোনাভাইরাসের প্রকোপের শুরুতেই এক লাখ দশ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। যখন প্রধানমন্ত্রী এই পণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন, তখন আমাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল। পুরো দেশ এখন এর সুফল পাচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্র ভালো করছে। প্রত্যেকটি খাত উড়ন্ত অবস্থায় আছে। সামনের দিকে যাচ্ছে। সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। কোনো দেশেই এ অবস্থা খুঁজে পাওয়া যাবে না।

আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, সবকিছু মিলিয়ে ভালোভাবেই বাংলাদেশ। সামনে আরও সুন্দর দিন অপেক্ষা করছে। বঙ্গবন্ধু যা করে যেতে পারেননি, সেগুলো করার জন্য তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করছেন। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সোনার বাংলা নির্মাণের মাধ্যমে সুবর্ণরেখা স্পর্শ করবেন।

আমাদের শক্তি হচ্ছে, এদেশের মানুষ। শেখ হাসিনা এই মানুষকে ভালোবেসে, গাইডলাইন দিয়ে একদম সামনে থেকে লিড দিয়ে সামনে নিয়ে যাচ্ছেন। এই যে, মহামারী করোনাভাইসের ধাক্কা সামলে আমাদের অর্থনীতি ঘুঁরে দাঁড়িয়েছে; অর্থনীতির সবগুলো সূচক এখন উর্ধ্বমুখী। কোভিড-১৯ এর আঘাতে পৃথিবীর বড় বড় দেশের অর্থনীতি যেখানে তছনছ হয়ে গেছে। আমরা সেখানে সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করে মাথা উঁচু করে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আর এটা সম্ভব হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর