মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯   ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
ঢাকা থেকে ভাঙ্গা রেল চালু হবে আগামী বছরের জুনে: রেলমন্ত্রী ফরিদপুরে জসীম পল্লী মেলার উদ্বোধন পাংশায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্ধোধন এবার হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৮০ এজেন্সি আগামী দুই বছরের মধ্যে পৃথিবী হবে ডাটানির্ভর ডিজিটালের পরবর্তী পদক্ষেপ স্মার্ট বাংলাদেশ
১০০

বোয়ালমারীতে রং করে বিক্রি হচ্ছে মুরগীর বাচ্চা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২২  

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে রঙিন মুরগির বাচ্চা। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে এসব মুরগির বাচ্চা বিক্রি করছে বিক্রেতা। এমনই সব চোখ ধাঁধানো রঙ যে, প্রয়োজন না থাকলেও অনেকেই কিনে নিচ্ছেন শখের বশে।

বিক্রেতা বলছেন, ‘এগুলো বোম্বের ম্যাজিক মুরগি। রঙিন বাচ্চাগুলো দেখে মনে হবে এটাই স্বাভাবিক রঙ। আসলে এই রঙগুলো ওদের শরীরে দেওয়া হয়েছে। যা স্থায়ী হয় প্রায় মাসখানেক।

জেলার বোয়ালমারীর উপজেলার চৌরাস্তা, থানায় মোড়, সোনালী ব্যাংক, ডাকবাংলো সহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে ছোট ছোট বিভিন্ন রঙের এই মুরগির বাচ্চা। মূলত লেয়ার মুরগির সাদা বাচ্চাগুলোকে আকর্ষণীয় করে তুলতেই এমন রং করা হয়েছে।

জানা যায়, প্রতিটি বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। বাচ্চাগুলোর গায়ের কৃত্রিম রং সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত থাকে। বাচ্চাগুলো অধিক বিক্রির আশায় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্যই মুরগি বিক্রেতা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। বাচ্চাগুলো শিশুরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে থাকেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিক্রেতা প্রায় ৪ শতাধিক বাচ্চা নিয়ে বসে আছেন আর ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বিভিন্ন কথা বলছেন। বিক্রেতা মুরগির বাচ্চাগুলো কখনো তার প্যান্টের পকেটে আবার কখনো বা গলার গামছা দিয়ে বেধে রাখছেন। এগুলো দেখে অনেক ক্রেতা আকৃষ্ট হয়ে বাচ্চা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

বোয়ালমারী সোনালী ব্যাংক এর সামনে থেকে রঙিন মুরগির বাচ্চা বিক্রেতা দেলোয়ার বলেল, তিনি প্রায় ২ বছর হলো রঙিন মুরগির বাচ্চা বিক্রি করছেন দেশের বিভিন্ন এলাকায়। বাচ্চাগুলো চট্টগ্রাম থেকে কিনে এনে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে থাকেন। সৌখিন ব্যক্তি ও শিশুরা খুব পছন্দ করে। বিক্রি করতে কোনো বেগ পেতে হয় না। গড়ে প্রতিদিন ৩শ’থেকে সাড়ে ৪শ’বাচ্চা বিক্রি করা যায়।

তিনি আরও বলেন, মুরগির বাচ্চাগুলোর মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাছাড়াও এগুলো থেকে লাভও অধিক পাওয়া যায়। সাধারণ মুরগির বাচ্চার মতোই এদের খাদ্য প্রদান করতে হয়। প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি মুরগির বাচ্চা বিক্রি হয় বলেও জানান তিনি।

ক্রেতা ছবুর মোল্লা বলেন, এমন রঙিন মুরগির বাচ্চা এর আগের কখনো দেখিনি। যদিও রঙ করা মুরগী, তারপরেও অনেক সুন্দর লাগছে। আমি ৬ রঙয়ের ৬টি বাচ্চা কিনলাম। এগুলো পেলে পরিবারের সবাই খুশি হবে।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর