সোমবার   ২৪ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১১ ১৪৩১   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
অ্যান্টিভেনমের ঘাটতি না রাখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ভাঙ্গা-যশোর রেল লাইন: চার জেলার যোগাযোগে নতুন দিগন্ত সরকারকে ১২৫ কোটি ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশে চালু হবে রু-পে কার্ড, ভারতে টাকা-পে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নিলেন ওয়াকার-উজ-জামান ঈদযাত্রা: পদ্মাসেতুতে ১৩ দিনে টোল আদায় ৪২ কোটি টাকা খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেস মেকার বসানোর কাজ চলছে: আইনমন্ত্রী পুলিশের এক অতিরিক্ত আইজিপি ও ৯ ডিআইজিকে বদলি-পদায়ন
২৩০

বালিয়াকান্দিতে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষে সফলতা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২৪  

আমদানি নির্ভরতা কমাতে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গ্রীস্মকালীনে পিয়াজ চাষ শুরুর প্রথম দিকেই সফলতা পেয়েছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার কৃষকেরা। উপজেলার ১০টি প্রদর্শনী প্লটে চাষ করা পিয়াজের বাম্পার ফলন হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

সারা দেশের মধ্যে রাজবাড়ী পিয়াজ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। জেলার প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে পিয়াজের আবাদ হয়। দেশের চাহিদার ১৪ শতাংশ পিয়াজের যোগান দেয় রাজবাড়ীর কৃষকেরা। পিয়াজ চাষে জেলার প্রথমস্থান বালিয়াকান্দি। এই উপজেলার কৃষকেরা শীতকালীন পিয়াজ চাষ করে থাকেন। তবে কৃষি বিভাগের সহায়তায় উপজেলার বেশ কয়েকজন পিয়াজ চাষি গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, পিয়াজ চাষের জন্য বারি পিয়াজ ৫ ও বিপ্লব বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে পিয়াজের আবাদ শুরু করে ৫ জন কৃষক। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জমির বীজ চাষ ও সার বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।  ২০০ শতাংশ (২ একর) জমিতে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষ হচেছ বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

আজ শুক্রবার সকালে বালিয়াকান্দি উপজেলার বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী পরিদর্শনে আসেন লাভজনক পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো ও পিয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মসূচি পরিচালক রেজওয়ানা রহমান। গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষ নিয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রদর্শনী দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বালিয়াকান্দিতে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
উপজেলার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ উৎপাদন স্বপ্নের মতো ছিল। এরপর ঝুঁকি তো থাকেই। গত বছর বালিয়াকান্দিতে ভালো ফলন হয়েছে। বালিয়াকান্দির কৃষি বিভাগ প্রণোদনা দিয়েছেন। পিয়াজ চাষে সহায়তার পাশাপাশি পরামর্শ দিচ্ছেন। যে কারণে পেঁয়াজের ভালো ফলন হয়েছে। ১০০ থেকে ১১০ দিন জীবনকালে প্রতি হেক্টর জমিতে ৪৫ মেট্রিকটন পর্যন্ত ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেপ্টেম্বর অক্টবর মাস থেকে জমি থেকে পিয়াজ বাজারে বিক্রি করা যাবে বলে জানান কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শুরুর থেকে কৃষকদের তেমন আগ্রহ ছিল না। বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজের ভালো ফলন হয়েছে। আর কয়েকদিন পর এই পেঁয়াজ হারভেস্ট করতে পারবেন। এই সময় পিয়াজের দাম বেশি থাকে। যে কারণে কৃষকেরা লাভবান হবেন।

লাভজনক পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো ও পিয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মসূচি পরিচালক রেজওয়ানা রহমান বলেন, আমরা চেষ্টা করিছ প্রতিটি জেলায় উদ্যোক্তা তৈরি করা। যেসকল উদ্যোক্তারা বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে জেলায় গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ চাষিদের সহায়তা করতে পারবেন। যদি উদ্যোক্তারা সেটি করতে পারেন তবে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজ উৎপাদনে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। পেঁয়াজ যেন আমদানি করতে না হয়। আমরা সেজন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর