মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯   ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
ঢাকা থেকে ভাঙ্গা রেল চালু হবে আগামী বছরের জুনে: রেলমন্ত্রী ফরিদপুরে জসীম পল্লী মেলার উদ্বোধন পাংশায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্ধোধন এবার হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৮০ এজেন্সি আগামী দুই বছরের মধ্যে পৃথিবী হবে ডাটানির্ভর ডিজিটালের পরবর্তী পদক্ষেপ স্মার্ট বাংলাদেশ
৫৯৭

দুদিন টানা বৃষ্টিপাতে ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২১  

দুদিনের টানা বর্ষণে ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের তথা পদ্মাচরের মানুষ। রাস্তাঘাটসহ আশপাশের বাসাবাড়ীতেও হাঁটুর উপর হতে কোমর পরিমাণ পানির জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফরিদপুরের চরমাধবদিয়া, ডিক্রীরচর, নর্থচ্যানেল, অম্বিকাপুরের নিম্নাঞ্চল এবং উপশহরের মডেল টাউনের রাস্তাঘাটসহ আশপাঁশের বাসা বাড়ীতে হাঁটুর উপর হতে কোমর পরিমাণ পানির জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ । গত ২ দিনের টানা বর্ষণে জনজীবন থমকে গেছে।

তার সাথে হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি। এক নাগাড়ে থেমে থেমে এমন বর্ষণ চলতে থাকলে প্লাবিত হবে আরো অনেক নিচু এলাকা। মাঠে থাকা পাটের ক্ষেতে প্রায় কোমর আবার কোথাও বুক সমান পানিতে ডুবে গেছে শত শত বিঘা পাটের ক্ষেত।

পদ্মায় আসছে উজান থেকে ধেঁয়ে আসা পানি। চরের নিম্নাঞ্চলে প্রবল বর্ষণের কারণে অসময় পাট কাটতে বাধ্য হচ্ছে চাষীরা। কিছুদিন আগেও প্রচণ্ড খরার মুখে পড়ে সমস্ত পাট ক্ষেত ফেঁটে চৌচির হয়ে ছিল। বহু পাট ক্ষেত, তিল, তিষির ডাটা, ঢেঁড়স ক্ষেত পুড়ে গিয়ে চরম ক্ষতির মুখে পড়ে খেটে খাওয়া পদ্মাচড়ের সামন্য আয়ের মানুষ। সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠার আগেই আবার ক্ষতির মুখে পড়লো অঁজপাড়াগা ও পদ্মাচড়ের কৃষকরা। করোনার কারণে মিলছে না কাজের মানুষ বা জোন খাটানোর লোক।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পরিবহন সেক্টরসমগ্র বন্ধ থাকায়, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এলাকার দিনমজুররা ফরিদপুর অঞ্চলে আসতে পাড়ছে না। ফলে কামলার (শ্রমিক) বহু অভাব পড়ছে। যদিও অল্পসংখ্যক কাজের লোক পাওয়া যাচ্ছে তাদের কাজের মজুরী প্রায় ৩ গুণ।

অপরদিকে, প্রবল বর্ষণে সালথা, নগরকান্দা, মধুখালী, আলাফাঙ্গা,সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার একর পাটের ক্ষেত জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। ঐ এলাকার কৃষকরাও প্রাণপণ চেষ্টা করছেন তাদের পাট কেটে পঁচানোর জন্য। কিন্ত কি আর করার? আর কিছুদিন পর পাট কাটলে পাট যেমন লম্ব হতো তেমনি মোটাও।

এতে সোনালী আঁশ চাষীদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হবে বলে চরের কৃষক মজিদ, কাবল, রহমান ও কাইয়মুদ্দীন এই প্রতিনিধিকে জানালেন। কোথাও হা্ঁটু পানিতে নেমে পাট কাটার যুদ্ধে নামছেন কৃষকরা।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর