শনিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২২   আশ্বিন ২২ ১৪২৯   ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
দেশের পাহাড়ী এলাকায় কফি চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে শুরু হয়েছে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল সাজেকে পর্যটকের ধুম, কোনো রুম ফাঁকা নেই ভোক্তা পর্যায়ে এখনই বাড়ছে না বিদ্যুতের দাম দলে যাগ দিয়েছেন সাকিব, নিউজিল্যান্ডে পরিপূর্ণ টিম ফরিদপুরে সরকারি বরাদ্দের ২০০ বস্তা চাল জব্দ আলফাডাঙ্গায় ড্রাগন ও লেবু গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!
১০৫

চরভদ্রাসনে বিশ বছর পর স্কুলের জায়গা দখলমুক্ত

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২২  

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চর হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া জায়গা বিশ বছর পর উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।মঙ্গলবার (২৬ জুলাই ) বেলা ১২টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ঐ স্থানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা কবির ত্রপা। এ সময় ছোট বড় প্রায় ত্রিশটি দোকান ঘর উচ্ছেদ করে স্কুলের জায়গা দখলমুক্ত করা হয়।

স্কুলের জায়গা দখল মুক্ত করার বিষয়ে ইউএনও তানজিলা কবির ত্রপা বলেন, ‘দীর্ঘ বিশ বছর যাবত এক শ্রেণির স্থানীয় অবৈধ ব্যবসায়ীরা স্কুলের জায়গা ও শহীদ মিনার দখল করে দোকান ঘর তুলে ব্যবসা করে আসছিল। প্রশাসনের পক্ষ হতে দখলদারদের দোকানঘর সরাতে দফায় দফায় মাইকিং করা হলেও তারা তাতে কর্ণপাত করেনি। স্কুলের আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ দীর্ঘ বিশ বছর পর উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে বেদখল হওয়া স্কুলের জায়গা দখলমুক্ত করা হলো।

চর হাজীগঞ্জ বাজার বণিক সমবায় সমিতি লি. -এর সভাপতি মো.কবিরুল আলম বলেন, ‘প্রায় বিশ বছর আগে হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধেক জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে নেয় সংশ্লিষ্টরা। ভাঙনে স্কুলের জায়গার পাশাপাশি হাজীগঞ্জ বাজারের জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায়। বাজারের ব্যবসায়ীরা স্কুল কমিটির মৌখিক অনুমতি আবার অনেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে বিদ্যালয়ের কিছু জায়গাসহ রাস্তার সঙ্গে আধাপাকা ও টংঘর নির্মাণ করে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছিল।’ হঠাৎ করে এ উচ্ছেদের ফলে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে আরও ক্ষতির স্বীকার হবে বলে জানান এই ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি।

উচ্ছের বিষয়ে এক ঘর মালিক উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আহসানুল হক মামুন বলেন, ‘আমি স্কুল কমিটির অনুমতি নিয়ে দোকান ঘর নির্মাণ করেছিলাম। স্কুলের প্রয়োজনে স্কুল তার জায়গা দখলমুক্ত করেছে। কিন্তু আমাকে লিখিতভাবে জানালে আমি অর্থনৈতিকভাবে বিশ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতাম না।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাদ আবুল কালাম বলেন, হাজীগঞ্জ বাজার নদী ভাঙনের কবলে পড়লে সে সময় বর্তমানে উচ্ছেদকৃতদের মানবিক কারণে অস্থায়ীভাবে স্কুলের কিছু অংশে ব্যবসা করার মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়। স্কুলের প্রয়োজনে বার বার তাদেরকে দোকান সরানোর কথা বলে কোন লাভ হয়নি। পরে স্কুলের জায়গা দখল মুক্ত করতে প্রশাসনর হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত আবেদন করা হয়। স্কুলের জায়গা নিয়ে মোকদ্দমা করেও শেখ মোহাম্মদ গং দুইবার পরাজিত হয়েছে বলেও জানান এই প্রধান শিক্ষক।

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর