শুক্রবার   ১৮ জুন ২০২১   আষাঢ় ৪ ১৪২৮   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
আগামী জুনে চলবে মেট্রো রেলের উত্তরা-আগারগাঁও অংশ বৈশ্বিক শান্তি সূচকে সাত ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের গোয়ালন্দে মৎস্য চাষিদের মাঝে মাছের খাদ্য বিতরণ মহম্মদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এক ব্যতিক্রম স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র আগামী মার্চে শুরু হবে পাতাল রেলের কাজ বার্ড ফ্লুর টিকা তৈরি হচ্ছে ঝিনাইদহে জুলাই থেকে বড় পরিসরে শুরু হবে টিকাদান
৬৯

গণপরিষদের সদস্য হয়ে স্বাধীনের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যান বঙ্গবন্ধু

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৫ জুন ২০২১  

ব্রিটিশ শাসনের অবসানই ছিলো স্বাধীনতা সূচনা। এরপর ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশ প্রতিষ্ঠা হয়। আর এ দুটি দেশের জন্য দুটি আলাদা পরিষদ গঠন করা হয়। যে পরিষদের হাতে ব্রিটিশরা সকল ক্ষমতা তুলে দিয়ে গিয়েছিলো। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের জন্য আলাদা আলাদা গণপরিষদ গঠিত হয়।

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে যার হাত ধরে সেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও ওই পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আট বছরের মাথায়। ওই পরিষদে শুরুতে ৬৯ জন সদস্য থাকলেও পরে বেড়ে হয় ৭৯ জন।

শুরু থেকেই স্বাধীনতাকামী বঙ্গবন্ধু গণপরিষদের সদস্য হওয়ার পর আরও স্বাধীনচেতা হয়ে ওঠেন। ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠা হয়েছে তখন, এমন সময় গণপরিষদে ঠাঁই পান বঙ্গবন্ধু। সেখানেও তিনি বারবার পূর্ব পাকিস্তানের অধিকারের কথা উচ্চারণ করেন।

গণপরিষদের এক বক্তৃতায় শেখ মুজিব বলেন, ‘ওরা (পশ্চিম পাকিস্তান) পূর্ব বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছি আপনারা এটাকে বাংলা নামে ডাকেন। বাংলা শব্দটার একটা নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর ঐতিহ্য।’

এরপর পাকিস্তানি শাসকদের উদ্দ্যেশে বলেন, আপনারা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার ব্যাপারে কি হবে? যুক্ত নির্বাচনী এলাকা গঠনের প্রশ্নটার সমাধান কি? আমাদের স্বায়ত্তশাসন সম্পর্কেই বা কি ভাবছেন? 

এসব প্রশ্নগুলো ছুঁড়ে দেয়ার পর তিনি একটা আবেদনও জানান। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমরা ঐ অংশের (পশ্চিম পাকিস্তান) বন্ধুদের কাছে আবেদন জানাবো যে, আমাদের জনগণের রেফারেন্ডাম বা গণভোটের মাধ্যমে দেয়া রায়কে মেনে নেন।

এর আগে ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগকে হারিয়ে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট। কিন্তু যুক্তফ্রন্ট সরকারকে কেন্দ্রীয় সরকার বরখাস্ত করে। তখন সবে মাত্র ৩৪-৩৫ বছর বয়স বঙ্গবন্ধুর। নিজের স্বাধীনতাকামী মনোভাব নিয়েই তিনি গণপরিষদে এসব কথা বলেছিলেন। আর এসব ছোটখাটো দাবি ও কড়া বক্তব্যই ছিলো স্বাধীনতার একেকটা খুঁটি।

বাংলার ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি রক্ষার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর বৃহত্তর সংগ্রাম ছিলো বাঙালি জাতিকে বিভিন্ন শোষণের হাত থেকে মুক্ত করা। সেই সঙ্গে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
 

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর