মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৮   ০৭ শাওয়াল ১৪৪২

 ফরিদপুর প্রতিদিন
সর্বশেষ:
করোনায় বাড়ল মৃত্যু ও শনাক্ত লকডাউনের বিষয়ে ৭ দিন পর সিদ্ধান্ত দৌলতদিয়ায় ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ, গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া ফরিদপুরে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন
৭৫

আলফাডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় আ`লীগ নেতাসহ আহত ৪

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২১  

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় শফিকুল ইসলাম শফি নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ তার পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় তাদের বাড়িতে লুটপাটও চালায় অভিযুক্তরা।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন শফিকুল ইসলাম। এদিন রাতে এজাহারভুক্ত আসামী সৈয়দ মামুন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

হামলায় আহত অন্যরা হলেন- শফিকুল ইসলামের ভাই মোঃ রবিউল ইসলাম, শফির চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সুমন খান (২৫) ও শফির ভাইয়ের স্ত্রী রুমা বেগম। 

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে দীর্ঘদিন ধরে ২নং গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফির সাথে একই ইউনিয়নের ৩নং ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বাবরের রিরোধ চলে আসছিলো এবং শফিসহ তার লোকজনদের মারধরসহ খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই জের ধরে সোমবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বাবরের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আ’লীগ নেতা শফির বসত বাড়ীতে প্রবেশ করে তার ভাই মোঃ রবিউল ইসলামের নাম ধরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় রবিউল ইসলাম ঘর থেকে বের হয়ে গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা রবিউলের ওপর অতর্কিত হামলা করে তার মাথার ডান ও বামপাশে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে রবিউলের চিৎকার শুনে বাড়ীর পাশের স্কুল মাঠ থেকে আওয়ামী লীগ নেতা শফি দৌড়ে আসলে অভিযুক্তরা তাকেও ঘিরে ধরে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় সবার চিৎকার শুনে শফির চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সুমন খান (২৫) ও শফির ভাইয়ের স্ত্রী রুমা বেগম এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা তাদেরও মারপিট করে আহত করে। এরপর সবাইকে আহত করে অভিযুক্তরা আ’লীগ নেতার বসতঘরে প্রবেশ করে বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে আহতদের উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমান তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বাবর জানান, ‘আমি তখন বাড়িতে ছিলাম। পরে জেনেছি তারাও আমাদের লোকজনকে মারপিট করে আহত করেছে। তাই আমাদের লোকজনও তাদের মেরেছে।’

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিবেশ শান্ত করা হয়েছে। মামলা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ‘

 ফরিদপুর প্রতিদিন
 ফরিদপুর প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর